আমরা অনেকে ইন্টারনেট থেকে সহজে আয় করতে চায় আসলে সহজে আয় করার জন্য কোন সহজ উপায় নেই। তাও অনেক খোজ খবর নিয়ে আপনাদের জন্য আজ একটি সহজ আয়ের পথ নিয়ে আসলাম । যারা এই সম্পর্কে জানেন তার কমেন্ট করে জানাবেন এবং আপনি কত আয় করেছেন তা বলতে ভুলবেন না।
আসুন আসল কথায় আসি 1. কাজ নাম: বিজ্ঞান প্রকাশ করে আয় (পপ আপনার সাইটে কেউ 2. ভিজিট করলে অটো বিজ্ঞাপন দেখাবে) 3. যারা করতে পারবে : যাদরে ওয়েব সাইট বা ব্লগ সাইট আছে তারা । 4. কত টাকা আয় হবে : এক কথায় উত্তর দিতে পারবো না। 5. কত টাকা হলে উঠাতে পারব: ১০ দশ ডলার 6. কীভাবে উঠাব : পেপাল, পেইজা ইত্যাদি।
প্রশ্ন উত্তর শেষ এখন কাজ শুরু করি: ধাপে ধাপে
১. প্রথমে এই popcash একাউন্ড করুন। একটি ফরম আসবে তা পূরণ করুন। ২. আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ যোগ করুন। (এপপ্রোপ করতে ২৪ ঘন্টা সময় নিবে) ৩. এর পর আপনি কোড লগ অন করে কোড এ যাবেন ৪. সেখানে যে কোন আছে তা আপনার ওয়েব সাইটে বা ব্লগে HTML অংশে এড এ গেজেট এর মাধ্যমে যোগ করবেন। ৫. কাজ শেষ । ৬. আশা করি ১০-১৫ মধ্যে আপনার একাউন্ডে ১০ $ বা তার বেশি টাকা জমা হবে।
ফাইল শেয়ারিং ইন্টারনেটের জনপ্রিয় একটি ব্যবস্থা। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ সফটঅয়্যার, গেম, ভিডিও, অডিও থেকে শুরু করে সব ধরনের ফাইল আদান-প্রদান করছে। যে সাইটগুলি এই কাজ পরিচালনা করে তারাও নিজেরা অর্থ বানাচ্ছে বিজ্ঞাপন সহ অন্যান্য পদ্ধতিতে। ধরে নিতে পারেন এটা তারই অংশ। যে সাইটে বেশি ডাউনলোডের জিনিষপত্র থাকে সেখানে ভিজিটর বেশি, কাজেই তারা একাজে কিছু অর্থ ব্যয় করে থাকে।বিনামুল্যে এই সেবা দেয় এমন অনেক সাইট আছে। এধরনের একটি সাইট আনাফাইল ।
১. রেজিষ্টার করুন তারপর আপনার একাউন্টে লগইন করুন... ২. ফাইল আপলোড করুন... ৩. এবং আপনার আপলোডকৃত ফাইল গুলো আপনার সাইট/ব্লগ অথবা অন্য কোন ফেমাস ব্লগ বা ফরম যেমনঃ (techtunes.com.bd) তে শেয়ার করুন অথবা ফেসবুকে শেয়ার করুন।
আপনার আপলোডকৃত ফাইল গুলো যে কেউ ডাউনলোড করলে সাথে সাথে আপনার আয় আসতে শুরু করবে।
কিছু নিয়ম অবশ্যই রয়েছে। সেই নিয়ম গুলো দেখে আসিঃ-
অর্থ উপার্জন করার জন্য অবশ্যই লগ ইন করে ফাইল আপলোড করতে হবে। কপিরাইট আইন ভঙ্গ করবেন না। অযোগ্য ফাইল আপলোড করার চেষ্টা করবেন না, তাহলে আপনার অ্যাকাউন্ট যে কোন সময়ে (banned)/ নিষিদ্ধ করে দিবে। পনোর্গ্রাফি আপলোড করবেন না। অটো ডাউনলোড লিংক এবং কোন স্প্যাম পদ্ধতি নির্মাণ করবেন না। যে কোন দেশ হিসাবে ডাউনলোড কৃত ফাইলের সাইজ অনুযায়ী আপনি অর্থ পাবেন। যে কোন একটি ফাইল ১০০% ডাউনলোড না হলে, আপনি কোন অর্থ পাবেন না। আপনার আপলোড কৃত ফাইল থেকে পেমেন্ট পাওয়ার পরে ফাইলটি মুছে দিতে পারবেন না। মুছে দিলে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যান করা হবে। আপনার আপলোড কৃত ফাইলটি যদি কপি রাইট হয়, তবে ঐ কপিরাইট ফাইলের মালিক রিপোর্ট করলে, আপনার সার্ভার থেকে ফাইলটি স্হায়ীভাবে মুছে ফেলা হবে। কি কি উপায়ে এই সাইট অর্থ প্রদান করবে? কয়েকটি উপায়ে সাইটটি অর্থ প্রদান করে থাকে। চলুন দেখে আসিঃ-
আপনার আপলোড কৃত ফাইল কেউ ডাউনলোড করলে, সেই ডাউনলোড এর উপর আপনি অর্থ পাবেন। প্রতি ১০০০ ডাউনলোডের জন্য আপনি ৩ ডলার করে পাবেন। বিশ্বের সব দেশ থেকে ডাউনলোড করা যাবে। আপনার আপলোড কৃত ফাইল থেকে, কেউ যদি শুধু মাত্র ১ বাইট ডাউনলোড করে থাকে, তাহলেও আপনি অর্থ পাবেন।
“AnaFile” আপনাকে টাকা দেবে প্রতি ডাউনলোডের জন্য ৩০ থেকে ৬০ সেন্ট। যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা দেশের জন্য ৬০ সেন্ট, ছোট দেশের জন্য কম এই নিয়মে।
তারা টাকা পরিশোধ করবেপেজা, পেপ্যাল এবং ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের মাধ্যমে। আরও কিছু পদ্ধতি অতি শীঘ্রই যোগ করা হবে। সর্বনিম্ন ২ ডলার হলেই আপনি টাকা তুলতে পারবেন পেজা অথবা পেপাল এর মাধ্যমে। এবং ১০০ ডলার হলে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন এর মাধ্যমে তুলতে পারবেন সেক্ষেত্রে ১০ ডলার ফী হিসাবে কেটে নিবে। যদি এই পদ্ধতি সফল হয়, দ্রুতগতির কানেকশনসহ ডেডিকেটেড সার্ভার ভাড়া করে আয় করতে পারেন আরো অনেক বেশি।
আজ আমি নিয়ে এলাম adf.ly থেকে কিভাবে টাকা উপার্জন করা যায় তার বাংলা টিউটরিয়াল।
প্রথমে আপনার একটি ব্লগ/ওয়েবসাইট থাকতে হবে। যার সাহায্যে আপনি টাকা উপার্জন করবেন। আপনার ব্লগ/ওয়েবসাইটে যত বেশি ভিজিটর হবে আপনার আয় তত বেশি হবে। তবে ব্লগ/ওয়েবসাইট না থাকলেও আপনি বিভিন্ন ব্লগ বা ওয়েবসাইটে বা ফেসবুকে লিংক শেয়ার করেও আয় করতে পারবেন।
আয়য়ের পরিমান:
আপনার ব্লগ/ওয়েবসাইটে প্রতি ১,০০০ ভিজিটরে আপনি পাবেন 1$ ডলার।
যেকোন লিংখ শর্টকাট করে শেয়ার করলে সেই লিংখকে প্রতি ১,০০০ ক্লিকে 1 ডলার।
Pop up এড এ প্রতি ১,০০০ ক্লিকে 1.5 ডলার।
Referral এর মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারে প্রতি রেফারেল থেকে আপনি পাবেন ১০% তার আয়ের।
প্রথমে আপনাকে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন করতে করতে এখানে ক্লিক করুন। ***ছোটখাটো Help পেতে আমার রিফারে Join করবেন।***
এবার নিচের মত একটি রেজিষ্ট্রেশন ফরম আসবে এখানে আপনার সকল তথ্য দিয়ে Join বাটনে ক্লিক করুন।
এবার আপনার ই-মেইলে একটি ভেরিফাই লিংখ যাবে সেখান থেকে একাউন্ট এক্টিভ করুন। তারপর নিচের নিয়মটি অনুসরণ করুন।
১। প্রথমে আপনার একাউন্টে লগিং করুন। তারপর “Tools” বাটনে ক্লিক করুন। এরপর “Pop up” বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে নিচের মত একটি টেবিল আসবে। এবার “Use our Website Monetization Widget” বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে একটি নতুন “Pop up” উন্ড আসবে। এখান থেকে “Domains selection type:” বক্সে আপনার সাইটে যে সকল সাইট এর লিংক থাকবে সেই সাইটের ডোমেইন লিংক দিন। যেমনঃ Google.com, Facebook.com, Ziddu.com, Yahoo.com, ।
এবার নিচের সব গুলো রেডিও সিলেক্ট করুন।
এবার নিচের কোড কপি করে আপনার ব্লগ/ওয়েবসাইটে পেস্ট করুন। [ব্লগ হলে “Layout” এ “Add a Gatget” বাটনে ক্লিক করুন। তারপর “HTML/JavaScript” বাটনে ক্লিক করুন এবার একটি নতুন উন্ড ওপেন হবে এখানে “Title” খালি রেখে “Content” বক্সে আপনার কোড টি পেস্ট করুন। এবার “Save” বাটনে ক্লিক করুন। আপনার কাজ শেষ। এবার আপনার সাইটে ভিজিট করুন। দেখবেন আপনার সাইট লুড হওয়ার ৫-১০ সেকেন্ড পর adf.ly এর এড আসবে। আপনাকে আর কিছুই করতে হবে না। এবার এই এডে যত ক্লিক হবে আপনার তত আয় হবে।নিচে চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হল।]
[ওয়েবসাইট হলে “Head” ট্যাগে আপনার কোডটি পেস্ট করুন তাহলেই হয়ে যাবে। আর কিছু করতে হবে না।]
২। যেকোনো লিংক শর্টকাট করে যে কোনো জায়গায় শেয়ার করুন। যেমন: Facebook, Twitter, Globallshare, ইত্যাদি অথবা আপনার ওয়েবসাইটে যে ডাউনলোড লিংক দিয়েছেন সেই লিংক শর্টকাট করে দিতে পারে ।
৩। উপরের কোড এর মধ্যে “Pop up” কোড এড আছে।
৪। রেফারেল করতে প্রথমে হোম পেইজ থেকে “Referrals” বাটনে ক্লিক করুন। তারপর Referral Program এর নিচে যে লিংক দেওয়া আছে সেই লিংক সবার সাথে শেয়ার করুন। এই লিংক এর মাধ্যমে যতজন একাউন্ট খুলবেন তারা সবাই আপনার রেফারেল হবে। তাদের আয় থেকে আপনি ১০% আয় পাবেন ।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বা অ্যাফিলিয়েশন হচ্ছে এমন একটি মার্কেটিং সিস্টেম, যার মাধ্যমে আপনি আনলাইনে ঘরে বসে আয় করতে পারেন। প্রথমেই জানা যাক অ্যাফিলিয়েশন বিষয়টি কী? অ্যাফিলিয়েশন হচ্ছে একটি মার্কেটিং সিস্টেম, যা বিশ্বের বিভিন্ন কোম্পানি ব্যবহার করে। আমরা যদি বিশ্বব্যাপী বহুল পরিচিত অ্যামাজন স্টোর (amazon.com), ইবে স্টোর (ebay.com) ব্রাউজ করি, তাহলে দেখব এখানে বিভিন্ন ধরনের পণ্য কেনা যায়। এখন এই অ্যামাজন বা ইবের পণ্য যদি আপনি নিজের জন্য না কিনে কোনো মাধ্যমে বিক্রি করে দিতে পারেন, তাহলে সেটিই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অর্থাৎ অ্যামাজন বা ইবের পণ্য আপনি যদি কোনো মাধ্যমে বিক্রি করিয়ে দিতে পারেন, তাহলে এরা আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমাণে কমিশন দেবে। যেমন অ্যামাজন স্টোরের ১০০০ ডলারের পণ্য আপনি বিক্রি করিয়ে দিলে আপনাকে কমপক্ষে ৪০ ডলার কমিশন দেবে। এভাবে বিশ্বের প্রায় সব কোম্পানিই তাদের পণ্যের বিক্রির ওপর কমিশন দেয়। আর তা-ই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে যুক্ত হওয়ার লিঙ্ক পাওয়া যাবে এ সাইটে : affiliate-program.amazon.com.
অনেকেই হয়তো নিজেদের ওয়েবসাইটের জন্য ডোমেইন হোস্টিং কিনে থাকেন। বিশ্বব্যাপী বহুল পরিচিত একটি হোস্টিং কোম্পানি হচ্ছে হোস্টগেটর (hostgator.com)। যদি হোস্টগেটরের হোস্টিং আপনি কোনো মাধ্যমে বিক্রি করাতে পারেন, তাহলে প্রতিটি বিক্রির জন্য হোস্টগেটর আপনাকে কমিশন দেবে। আর এ ধরনের মার্কেটিং করাই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। হোস্টগেটরের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে যুক্ত হওয়ার লিঙ্ক পাওয়া যাবে এ সাইটে : www.hostgator.com/affiliates যদি বাংলাদেশের একটি ওয়েরসাইট টেমপেস্নট তৈরি করে এমন একটি কোম্পানি জুমশেপারের (joomshaper.com) ওয়েবসাইট ভিজিট করেন, তাহলে দেখা যাবে এখান থেকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের জন্য থিম/টেমপ্লেট, প্লাগইন কেনা যায়। এখন এই থিম/টেমপ্লেট, প্লাগইন যদি আপনার মাধ্যমে বিক্রি হয় তাহলে জুমশেপার আপনাকে কমিশন দেবে। আর এই কমিশন পাওয়ার জন্য মার্কেটিং করাই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। জুমশেপারের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে যুক্ত হওয়ার লিঙ্ক পাওয়া যাবে এ সাইটে : joomshaper.com/ affiliate/affiliates/
এভাবে বিশ্বের পায় প্রতিটি কোম্পানিরই অ্যাফিলিয়েট পণ্য রয়েছে, যার মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হলে কী কী দরকার? অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং মূলত অনলাইন মার্কেটিং। তাই আপনাকে কমপিউটার, ইন্টারনেট এবং ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে। ইন্টারনেট মার্কেটিং সম্পর্কে (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, ই-মেইল মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং) ভালো ধারণা নিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরম্ন করলে ভালো হবে। ভালো ইংরেজি জানলে আর ঠিকমতো কাজ করলে পাঁচ থেকে সাত মাসের ভেতরেই আপনি দক্ষ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে পারবেন।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শেখার জন্য যেসব বিষয় আপনাকে শিখতে হবে তা হলো : * সাবলীল ইংরেজি লেখার ক্ষমতা। * বস্নগ তৈরি ও তা রক্ষণাবেক্ষণ জানা। * বস্নগ প্রমোশনের বা মার্কেটিংয়ের জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) শিখতে হবে। * সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং জানতে হবে। * ই-মেইল মার্কেটিংয়ে দক্ষতা থাকতে হবে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং যেভাবে করবেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অনেকভাবে করা যায়। যেমন কোনো একটি রিভিউ সাইট তৈরি করে এরপর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে ভিজিটর জেনারেট করে অথবা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বা ই-মেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে। প্রোডাক্ট রিভিউ সাইট অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংওয়র অন্যতম একটি মাধ্যম। একটি জরিপে দেখা যায় : * ৮৩ শতাংশ ভোক্তা বলেছেন প্রোডাক্ট রিভিউ তাদের পার্সেজ ডিসিশনকে প্রভাবিত করে। * ৭০ শতাংশ ক্রেতা কেনার আগে অনলাইনে প্রোডাক্ট রিভিউ খোঁজেন। * প্রায় অর্ধেকেরও বেশি ক্রেতা প্রোডাক্ট রিসার্চের অংশ হিসেবে সার্ভে এবং ভোক্তাদের রিভিউ পড়ে থাকেন। * প্রায় ১০ জনের মধ্যে ৯ জন মার্কিনি কেনার আগে কোনো না কোনো সময় প্রোডাক্ট রিভিউ পড়ে থাকেন।
সাধারণত দেখা যায়, একজন ক্রেতা একটি পণ্য কেনার আগে সে সম্পর্কে অনলাইনে জানতে চান। যেমন একজন ব্যক্তি একটি Folding Bike কিনতে চান। সাধারণত বাইকটি কেনার আগে সে এটি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেন। তখন তিনি হয়তো গুগল বা ইয়াহু সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ দেন Best Folding bike, Folding bike review, Folding bike price, Folding bike price in usa এসব কিওয়ার্ড লিখে। নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডের জন্য আপনার প্রোডাক্ট রিভিউ সাইটটি যদি বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের প্রথমে নিয়ে আসতে পারেন, তাহলে প্রোডাক্ট অ্যাফিলিয়েটের মাধ্যমে ভালো পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন। কয়েকটি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের অনেক বড় বড় সাইট বা নেটওয়ার্ক রয়েছে, যেগুলো থেকে সাইনআপ করে আপনি বিভিন্ন অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারেন। বিশ্বের বড় কয়েকটি অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্ক হচ্ছে : কমিশন জাংশন commissionjunction.com ক্লিকব্যাংক http://www.clickbank.com/ ওয়ান নেটওয়ার্ক ডিরেক্ট onenetworkdirect.com লিঙ্কশেয়ার http://www.linkshare.com/ অ্যামাজন http://www.amazone.com/ কমিশন সোআপ commissionsoup.com/ শেয়ারএসেল shareasale.com/ ওয়ারিয়রপস্নাস warriorplus.com/ অ্যাফিলিয়েটউইন্ডো affiliatewindow.com/
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কোথায় শিখবেন? অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শিখতে ইন্টারনেট মার্কেটিংয়ের অনেক কিছু জানতে হবে এবং প্রচুর পড়াশোনা করা দরকার। ইন্টারনেটে সার্চ করে বিভিন্ন লেখকের লেখা পড়ে, তাদের পিডিএফ বই পড়ে বা ভিডিও দেখেও আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শিখতে পারেন। তবে ইন্টারনেট থেকে শিখতে প্রচুর সময় নষ্ট হতে পারে সরাসরি গাইডলাইনের অভাবে। কারণ আপনি ভালো রিসোর্স কোথায় আছে জানেন না এবং ইন্টারনেটে সার্চ করে সবকিছু পাওয়া অনেক দুরূহ ব্যাপার। হাতে-কলমে শেখার জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং প্রফেশনালি কেউ করছে তার কাছ থেকে বা ভালোমানের কোনো প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটেরও দারস্থ হতে পারেন, যারা দ্রুত আপনাকে একজন সফল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে সাহায্য করবে। বাংলাদেশে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শেখার জন্য ভালো কয়েকটি প্রতিষ্ঠান হলো : এক্সপোনেন্ট একাডেমি (xponentacademy.com), ডেভসটিম ইনস্টিটিউট (devsteaminstitute.com) ও আইটি একাডেমি (sylhetitacademy.com)। প্রতিষ্ঠানগুলোতে আপনি কোনো কোর্সে ভর্তি না হয়েও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে পরামর্শ নিতে পারবেন।
বাংলাদেশ থেকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে কাজের সম্ভাবনা অনলাইনে টাকা আয়ের সবচেয়ে বড় যে উপায়, সেটিই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। ২০১৩ সালের হিসাব অনুযায়ী, শুধু অ্যাফিলিয়েট মাকের্টিংয়ের মাধ্যমে মার্কেটারেরা আয় করেছেন ৬০ হাজার কোটি টাকা। বিশাল এই বাজারের ১ শতাংশও যদি আমরা ধরতে পারি, তাহলে প্রতিবছর দেশে আসবে ৬০০ কোটি টাকা। এই জায়গাটিতে পৌঁছানো খুব একটা কঠিন হবে না, যদি উপযুক্ত ট্রেনিং নিয়ে দক্ষতা অর্জন করা যায়। আবার রিভিউ ব্লগ লিখে অ্যাফিলিয়েট মাকের্টিংয়ের ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্সসহ বিভিন্ন অ্যাড নেটওয়ার্কের মাধ্যমেও নিজের সাইট থেকে আয় করা যায়। এখান থেকেই আমাদের তরম্নণদের কোটি টাকা আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশে এখন এমন অনেক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার রয়েছেন, যারা ব্লগ লিখে মাসে আয় করছেন ৩ থেকে ৮ হাজার ডলার পর্যন্ত
আপনারা যদি অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে চান তাহলে
NeoBux এর মাধ্যমে আয় করুন অনলাইনে (Full Guideline)
NeoBux PTC/PPC সাইট এর জগতে একটি অত্যন্ত Reliable সাইট। তারা অত্যন্ত অভিজ্ঞতার সাথে তাদের সদস্য এবং স্পন্সর দু পক্ষের লাভের বিষয়টি সমান গুরুত্ত দিয়ে তাদের ব্যাবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। আমার বিশ্বাস আপনি এই সাইটে কাজ করার জন্য অত্যন্ত সুন্দর একটি পরিবেশ পাবেন। তারা সবসময় নতুন নতুন চিন্তাভাবনা এবং সদস্যদের যেকোনো সমস্যার দ্রুত সমাধান করার ব্যাবস্থা করে থাকে।Neobux এর প্রায় ৩ কোটি Member আছে। বিশ্বাস হচ্ছেনা।না হয়ারি কথা। একটি Ptc সাইট এর কি ভাবে এত Member থাকতে পারে। বিশ্বাস না হলে alexa Rank এ গিয়ে দেখেন ওদের Rank কত। এর জন্যই আমি প্রথমে বলছিলাম সব PTC সাইট ভুয়া না। প্রতিদিন ওরা ১ কোটি (বাংলাদেশি টাকা হিসাবে) Taka Payment করে। মাসে ৩০ কোটি টাকা !!!!!
কিভাবে কাজ শুরু করবেনঃ
এখানে আপনি কাজ করতে হলে প্রথমে আপনাকে সাইন আপ করতে হবে। এখানে সাইন আপ বা কাজ করার জন্য কোন ফী দিতে হনা না।
ফর্ম টিতে যেসকল তথ্য চেয়ছে তার সবগুলো সঠিক ভাবে পূরণ করে Continue তে ক্লীক করতে হবে। তারপর একটি একটিভেশন কোড আপনার ইমেইলে পাঠাবে। সেই কোডটি কপি করে পেস্ট করে দিয়ে ফিনিশ রেজিস্ট্রেশন এ ক্লিক করতে হবে।
কিভাবে আয় করবেনঃ বেশ কিছু উপায়ে NeoBux থেকে আপনি ডলার আয় করতে পারবেন। যেসকল উপায়ে আপনি ইনকাম করতে পাড়েন সেগুলো হচ্ছে……… ক. এড ভিজিট করার মাধ্যমে আয়
খ. রেফারেল এর মাধ্যমে আয়
গ. এড প্রদান করার মাধ্যমে আয়
ঘ. মেম্বারশিপ আপগ্রেড করার মাধ্যমে আয় ক. এড ভিজিট করার মাধ্যমে আয়ঃ
NeoBux এ আপনি প্রতিদিন মিনিমাম ৪ টি করে এড পাবেন যেগুলো ভিজিট করতে হবে। তাছারা NeoBux আনিয়মিত ভাবে কিছু এড দিয়ে থাকে যা লগইন অবস্থায় থাকলে আপনি ভিজিট করতে পারবেন। আপনা একাউন্ট এ লগইন করার পর View Advertisements অপশনে গিয়ে আপনাকে এড ভিজিট করতে হবে।
খ. রেফারেল এর মাধ্যমে আয়ঃ
রেফারেল এর মাধ্যমে প্রচুর পরিমানে আয় করা সম্ভব। এক্ষেত্রে দুটি পদ্ধতিতে আপনি রেফারেল করে আপনার আয় কয়েকগুন বাড়াতে পাড়েন। পদ্ধতি দুটি হচ্ছে…… এক. ডাইরেক্ট রেফারেল করেঃ আপনার লিঙ্ক অর্থাৎ ইউসার নেম ব্যাবহার করে কেউ যদি সাইন আপ করে তাহলে সে আপনার ডাইরেক্ট রেফারেল হিসেবে বিবেচিত হবে। আপনি আপনার ব্যানার কোড ও রেফারেল লিংক বিভিন্ন ব্লগ ও সামাজিক যোগাযোগের সাইটে শেয়ার করে আপনার ডাইরেক্ট রেফারেল বাড়াতে পাড়েন। দুই. রেন্ট রেফারেল এর মাধ্যমেঃ রেফারেল ভাড়া করে আপনি আপনার ইনকাম বাড়াতে পাড়েন। এক্ষেত্রে যেসকল ইউসার কোন রেফারেল ছাড়া রেজিস্ট্রেশন করেছে সেসকল সদস্যদেরকে NeoBux ভাড়া দিয়ে থাকে। তবে রেফারেল এর আয় পেতে হলে, আপনি আপনার একাউন্ট খোলার দিন থেকে ৩০ দিন অথবা আপনার ১০০ ক্লিক অবশ্যই সম্পূর্ণ হতে হবে। ১০০ ক্লিক বা ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর ও আপনার রেফারেল এর আয় সবসময় পেতে হলে বিগত ৫ দিনে মিনিমাম ১১ টি ক্লিক নিশ্চিত করতে হবে অন্যথায় আপনি পরের দিন এর রেফারেল আয় পাবেন না।
শর্ত ১ : Neobux এর RR System বুঝা এক দিনে সম্ভব না।আর এত সল্প পরিসরে এখানেও আলোচনা করা সম্ভব না। তাই আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে।প্রথম দিকে আমিও RR পুরো বুজতাম না।কিন্তু আমি প্রতিদিন Forum ঘাটাঘাটি করতাম। Footer অংশে help নামে একটি ট্যাব আছে। ঐ ট্যাব গিয়ে ঘাটা ঘাটি করতাম। কোন কিছু না বুঝলে support এ কথা বলতাম।আপনিও তাই কারার চেষ্টা করবেন। দেখবেন ৩-৫ মাস পর আপনি ও এক্সপার্ট হয়ে যাবেন।কিন্তু অনেকেই মনে করে ১ দিনেই সব বুঝে যাবে।কিন্তু না বুঝে লস খায় আর দোষ হয় PTC সাইট ভাল না।
শর্ত ২ :ভুলেও ১ টাকাও ইনভেস্ট করবেন না।আমি বারবার বলতেছি আগে পুরো ব্যাপার টা বুঝার চেষ্টা করেন। Forum ঘাটাঘাটি করেন। সব কিছু বুঝতে ৪-৫ মাস সময় লাগতে পারে।কিন্তু অনেকেরি এই ৪-৫ মাস ধৈর্য নাই। ১৫-২০ দিন পরে হয় ক্লিক করা বাদ দিয়া দেয় অথবা না বুঝে ইনভেস্ট করে ধরা খায়।তাই আগে শুধু ক্লিক করে দুই একবার টাকা($) Withdraw করেন। বুঝেন তারপর ইনভেস্ট করেন বা না করে Direct Referral ইনকাম দিয়ে RR কিনে টেস্ট করেন। অথবা আমার ফরমুলা অনুসরন করুন। শর্ত ৩ : আপনাকে প্রতিদিন অবশ্যই হলুদ Fixed advertisement গুল ক্লিক করতে হবে। দৈনিক ৪ টা করে এই ধরনের অ্যাড পাবেন।আগে এই ধরনের অ্যাড ক্লিক করে নিয়ে তারপর অন্য অ্যাড ক্লিক করবেন।তা না হলে রেফেররাল ইনকাম পাবেন না।
ফরমুলা- ১ টাকা ইনভেস্ট না করে কিভাবে ইনকাম করবেন # 1 মাস ক্লিক করার পর আপনি 1$আয় করতে পারবেন।এই 1$ না তুলে(Withdraw না করে) 1$ দিয়ে ৫ টি Rented Referral কিনেবন। # 5 টি RR এর কারনে 10 দিনেই আবার 1$ ইনকাম করবেন। ঐ 1$ দিয়ে আবার ৫টি RR কিনবেন। # 10 টি RR এর কা্রনে 5 দিনেই আবার 1$ ইনকাম করবেন। ঐ 1$ দিয়ে আবার ৫টি RR কিনবেন। # এইভাবে ১মাস RR কিনতে থাকলে যখন 50 টি RR হয়ে যাবে হবে তখন RR কিনা স্টপ করবেন। ২০ দিনে 20$ হয়ে যাবে। # এখন 20$ দিয়ে 100 RR কিনুন। এখন 20 দিন পর আবার 30$ জমা হবে আপনার অ্যাকাউন্ট এ। # ঐ 30$ দিয়ে আবার 150 RR কিনুন। সুতরাং এখন আপনার টোটাল 300 RR আছে।( এই কিনা কাটি করতে কিন্তু ৩-৪ মাস পার হয়ে গেছে। ### এখন থেকে এই 300 RR Extend করতে মাসে 60$ লাগবে। যদি সব RR কাজ করে তবে মাসে 180$ ইনকাম করতে পারবেন।কিন্তু আসলে সব RR সব দিন কাজ করে না। যাই হোক ধরে নিলাম 200 RR প্রতিদিন কাজ করে তাহলেও আপনি মাস শেষে 120$ ইনকাম করতে পারবেন। 60$ দিয়ে 300 RR এর ভাড়া বা Extend করার খরচ। বাকি 60$ বা ৪৮০০ বা প্রায় ৫০০০ টাকা মাসে ইনকাম।
গ. এড প্রদান করার মাদ্ধমে আয়ঃ
আপনার যদি কোন ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে থাকে তাহলে আপনি নির্দিষ্ট পরিমান ক্লিক এর জন্য এড প্রদান করতে পাড়েন। এর মাদ্ধমে অতি অল্প খরচ করে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ এর আয় প্রচুর পরিমানে বাড়াতে পাড়েন।
ঘ. মেম্বারশিপ আপগ্রেড করার মাদ্ধমে আয়ঃ
Standard মেম্বার ছারাও আরও চার ধরনের মেম্বারশিপ ক্যাটাগরি আছে যেগুলো হচ্ছে……
# Golden # Emerald Sapphire # Plutinam Diamond #Ultimate.
মেম্বারশিপ ক্যাটাগরি অনুযায়ী আপনার ক্লিক এর আয় এবং রেফারেল আয় এর হার অনেক গুনে বেরে যাবে। পাশাপাশি অন্যান্য আরও অনেক সুযোগ সুবিধা পাওয়া যাবে। অর্থাৎ আপনার মেম্বারশিপ ক্যাটাগরি আপগ্রেড করার মাধ্যমে আপনি অনেক ইনকাম করতে পারবেন যা আপনি চিন্তাও করেননি। নিচের চিত্রটি দেখে বুঝার চেস্তা করুন বিভিন্ন কেতেগরি অনুযায়ী ইনকাম করার হার…… টাকা উত্তোলনের উপায়ঃ মিনিমাম ক্যাশআউট হচ্ছে দুই ডলার এবং প্রতি ক্যাশআউট এ মিনিমাম পেমেন্ট এর পরিমান ১ ডলার করে বৃদ্ধি পাবে ১০ ডলার হওয়া পর্যন্ত। আপনি Payza বা Paypal এর মাধ্যমে আপনার ডলার ক্যাশ করতে পারবেন। এবং পেমেন্ট প্রসেসর অনুযায়ী চার্জ কাটা হবে। তবে Payza এর মাধ্যমে ক্যাশ করাই ভালো। Payza এর একাউন্ট থাকলে ভালো। আর যদি না থাকে তাহলে এখান থেকে Payza এর একটি ফ্রি একাউন্ট খুলে ফেলুন।
পেপাল সম্পর্কিত বাংলাদেশি ব্যবহারকারিদের কিছু প্রশ্নের উত্তর
পেপাল বাংলাদেশ এ এই বছরের শেষের দিকে আসার কথা। আসুক বা না আসুক পেপাল আমাদের ব্যবহার করতে হবে অনেক কারনেই। কারণ গুলো নিশ্চয় জানা সবার তাই আর বললাম না।
এইবার আসি বাংলাদেশ এবং অন্যান্য নন সাপোর্টটেড পেপাল দেশগুলোর ব্যবহারকারিদের কিছু প্রশ্ন এবং উত্তরে –
১) পেপাল কি বাংলাদেশে আছে বা সাপোর্ট করে ?
উত্তরঃ না, তবে পেপাল আসছে।
২) আমার দেশ যদি পেপাল সাপোর্ট না করে তাহলে কি আমি পেপাল ব্যাবহার করতে পারবো ?
উত্তরঃ হ্যাঁ, পারবেন। সীমিত আকারে এবং বিভিন্ন সীমাবদ্দতার মাঝে পেপাল ব্যবহার করা যাবে।
৩) পেপাল অ্যাকাউন্ট খোলার সময় দেখি আমার দেশ লিস্ট এ নাই, এখন আমি কোন দেশ সিলেক্ট করবো ?
উত্তরঃ দেশ হিসাবে আপনি যেকোনো দেশ সিলেক্ট করতে পারেন। তবে এইখানে কিছু কথা আছে। যদি আপনি বাংলাদেশ এর মত অসমরতিত দেশ থেকে হয়ে থাকেন তাহলে পেপাল অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করতে পারবেন না। এইজন্য দেশ একটি বড় বিষয়। এর যদি ভেরিফিকেশন ছাড়াই পেপাল ব্যবহার করতে চান তাহলে যে সকল দেশ ভেরিফিকেশন ছাড়াই পেপাল ব্যাবহার করতে অনুমতি দেই (যেমন – ফ্রান্স) টা সিলেক্ট করতে পারবেন।
৪) পেপাল ভেরিফিকেশন কি, কিভাবে করতে হয় ?
উত্তরঃ এটি একটি ভেরিফিকেশন প্রসেস যা পেপাল এর সম্পূর্ণ বা বেসিক ফাংশনগুলো ব্যাবহারের জন্য প্রয়োজন। ভেরিফিকেশনএর জন্য সাধারণত পেপাল অ্যাকাউন্ট এর সাতে ব্যাবহারকারীর ক্রেডিট কার্ড অথবা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংযুক্ত করতে হয়।
৫) কিভাবে আমি একটি ভেরিফাইড পেপাল পেতে পারি ?
উত্তরঃ আপনার যদি কোন বন্ধু বান্ধব বা আত্মীয় স্বজন পেপাল সাপোর্টটেড কান্ট্রি তে থেকে থাকেন তাহলে তার আপনার জন্য একটি পেপাল অ্যাকাউন্ট খুলে ভেরিফাই করে দিতে পারবেন। এছাড়া অনলাইনে ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড কিনতে পাওয়া যাই।। যা ব্যাবহার করে ও আপনার অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করতে পারবেন। তবে প্রতারক থেকে সাবধান।
৬) বাংলাদেশ কেন পেপাল সাপোর্ট করে না ?
উত্তরঃ শুধু বাংলাদেশই না যেসব দেশ অনলাইন মানি ট্রান্সফার সাপোর্ট করে না সেসব দেশে পেপাল নাই।
৭) পেপাল এর বিকল্প পেমেন্ট সিস্টেম গুলো কি কি ?
উত্তরঃ পেপাল এর বিকল্প পেমেন্ট সিস্টেম যা বাংলাদেশ সাপোর্ট করে সেগুলো হল – মানিবুকারস, অ্যালারটপে/পাইজা, লিবার্টি রিজারব, ই-গোল্ড, ওয়েবমানিসহ আরও কিছু সিস্টেম।
৮) আমি কি পেপাল থেকে পেপাল এর বিকল্প সিস্টেমে অর্থ লেনদেন করতে পারবো ?
উত্তরঃ না, সরাসরি পারবেন না। তবে অনলাইনে কিছু কারেঞ্ছি একচেঞ্জার আছে যারা এক সিস্টেমের কারেঞ্চি নিয়ে আপনার চাহিদা মতো কারেঞ্চি সরবরাহ করে থাকে তাঁদের মাধ্যমে পারবেন।
৯) Payoneer – এর US Payment Service কি ?
উত্তরঃ এটি একটি ভার্চুয়াল ব্যাংক সার্ভিস, যা ব্যাবহার করে আপনি যুক্তরাষ্ট্রের যে কোন কোম্পানি থেকে সরাসরি পেমেন্ট নিতে পারবেন এবং Payoneer মাষ্টার কার্ড ব্যাবহার করে অর্থ উথলন করতে পারবেন। এটি দিয়ে পেপাল অ্যাকাউন্ট ও ভেরিফাই করা যাই।
১০) Payoneer – এর US Payment Service কিভাবে পাব ?
উত্তরঃ আপনার যদি একটি Payoneer মাষ্টার কার্ড থাকে তাহলে Payoneer কাস্তমার সাপোর্টের সাতে যোগাযোগ করে US Payment Service এর জন্য আবেদন করুন।
সব শেষে একটা কথাই বলতে চাই – আমরা বাংলাদেশিরা কোনরকম ঝামেলা ছাড়াই পেপাল ব্যাবহার করতে চাই।
আপনারা যদি অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে চান তাহলে Online Income Tips এর সাথেই থাকুন পারেন।
কোন সমস্যা হলে আমার সাথে যোগাযোগ করুন Email : jafryking@gmail.com
আপনাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে আজকে এক অসাধারন Ultimate Script নিয়ে হাজির হলাম যার মাধ্যমে আপনারা শুয়ে শুয়ে টাকা আয় করতে পারবেন অর্থাৎ আপনাকে কিছুই করতে হবে না ।আপনারা অনেকেই হয়ত ভাবছেন এই পোস্ট পূর্বেও একবার হয়েছে ।কিন্তু পূর্বের পোষ্টের সাথে এই পোষ্টের যথেষ্ট পার্থক্য আছে এবং নতুন Script আছে তা সম্পূর্ণটা দেখলেই বুঝতে পারবেন । যারা এখনও Likeplanet এ অ্যাকাউন্ট খুলেননি তারা এখান থেকে অ্যাকাউন্ট খুলে নিতে পারেন। ***ছোটখাটো Help পেতে আমার রিফারে জয়িন করবেন।***
যা যা প্রয়োজনঃ
১। Mozilla Firefox এর যেকোনো ভার্সন [না থাকলে filehippo.com থেকে Download করুন]
১। প্রথমে উপরিউক্ত Link হতে সবকিছু Download করুন এবং প্রাপ্ত iMacros Add-ons টি Firefox এর উপর ড্রপ করে ইন্সটল করুন এবং Firefox Restart দিন ।
২। তারপর New Ultimate Script.rar টিকে আপনার Desktop এ আনজিপ করুন । আনজিপ করলে New Ultimate Script.iim নামে একটি ফাইল পাবেন । প্রাপ্ত ফাইলটিকে নিম্নোক্ত Location এ Copy করুন (Cut করলে হবে না)।C:/User/Username/My Documents/Imacros/Macros/ [নিচের ছবির মত]
৩। এবার firefox ওপেন করে নিচের চিত্রের মত প্রথমে iMacros বাটনে ক্লিক করুন আর দেখুন বামপাশে আপনারScript এসেছে । সেই Script এ ক্লিক করুন । ৪।ব্যাস, আপনার কাজ শেষ likesplanet এ লগ ইন করুন । এখন Play কলামে গিয়ে নিচের চিত্রের মত Max Box এ 24 দিন এবং Play (Loop) এ ক্লিক করুন এবং Yes আসলে Yes দিন আর আপনি ঘুমান । আপনাকে আর কিছুই করতে হবে না ।